শ্টযামা-সঙ্গীত-সং

শ্রীরামরেণু মুখোপাধ্যায় বি-এ- (অনার্স ) বিদ্যা ভূষণ, কাব্যপুরাপতীর্থ

প্রথম প্রকাশ £ মহালয়] ১৩৬৭ ২০ সেন্টেম্বর ১৯৬০

প্রকাশক রখীত্রকুমার পালিত,পারিকেশন্স্‌ অফিসার, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় মৃদ্রক 2 বিমল ভাুড়ী, বি. বি. কোঃ, ৪, রামরতন বোস লেন, কলিকাতা-৭০০০০9৪

উৎসর্গ

মা তোর কোলে ম! ধরায় আসি চিনেছি মা এলোকেশী পূজার স্কুল তার চরণে দিতে শিল্পে পড়ে মলে তোর প্রেরশ। সবার আগে করেছে মোর মন-উদাসী।

তুই শেখাজি মায়ের পুজা তাই তোডাকি দশভুজা মোর জীবনের অর্খ্য সেরা? চরণে ভোর দিইমা বসি

নাম/প্রথম পংজি

উমার জন্ম মুখবন্ধ মা এসেছে গিরির ঘরে পূরব গগনে দিক প্রকাশিল উমার বাল্যলীলা বিবাহু-_ মুখবন্ধ হলে ছাড়! উমাধনে

মুখশশী পড়ে মনে আকাশের চাদ মাখ! মসী কোথায় ঘুমে রইলি উমা সোনার অঙ্গ ভরেছে ধুলায় আয় মা! উমা আয় না কোলে কোথায় বেড়াস্‌ সখীর সঙ্গে ধরে দে মা টাদের কলা কেন মা তুই হলি অপর্ণা কপালে কলঙ্কী-কলা

কণ্ঠেতে হাড়ের মালা আগমনী মুখবন্ধ ওহে গিরি আন গোরী

ভিক্ষা মাগি চরণ ধরি স্বপনের ঘোরে উম] ডেকে ফেরে দেখবি যদি বঙ্গবাসী বড় আনন্দে থাকি উম! বোধনের ডাক কেঁদে ফেরে তুই ছিলিস্‌ মা ঘুমঘোরে

স্চীপত্র

পৃষ্ঠা নাম/প্রথম পংক্তি

মাউমাতোর তরে ওহে গিরি গৌরী বিনে কোথায় ঘুমে রইলি উমে এনে দে মোর উমাধনে উম আমার এল কই ৪8 মা আসেরে মা আসেরে

যণ্ঠীতে মা ফোধন সারি ৫& যাও হে গিরি কৈলাসপুরী কোন্‌ অভিমানে হরের ঘরে শুনি মেনকার কথা আজি কি আনন্দ ধরণীতে হিমাচল আলে। করে

উমা তব এল ঘরে

চে

বিজয়? মৃখবন্ধ গিৰি তুমি পাষাণ বাপ দেখ নাই গো গিরিপুরী আধার করি তুই কিযাৰি জামাই এলে ভোরে নিতে

», আজ বিজয়া ওঠ মা জয়।

১১ ওঠ্‌ মা জয়া বিজয়!

১৭

৯৮

১৪১

০0

রী আজ যে আমার উমা যাবে 2

॥» ওরে বঙ্গবাসী শোকে ভাসি

১২ ব্রবি ভোমার হবে উদয়

চি

নাম/প্রথম পংক্তি পৃষ্ঠ। “ওমা” বলে কাঁদে উম তাও কি মন ২১ বেদন। কত মায়ের প্রাণে ২২ গিরি তুমি পাষাণ বাপ দেখ

নাই গে

নবমীর নিশি তুমি গেলে জামাই আমার আস্বে চলে "” নবমীর নিশি তুমি যেও না ২৩ ওহে গিরি রাখ ধরি তনয়ারে আদর করি শে।ন হে পাষাণ শিরি ২৪ যেও ন। যেও না যেও না হে যেও ন। নবমীর নিশি শোন্গেো মা বিজয় জয়া ২৫ যেও না যেও ন। নবমী রজনী সাথে লয়ে ওঠ মা জয়া বিজয়া আজকে যাবে মোর অভয়া শোন গিরি আর গৌরী পাঠাব না! শিবের ঘরে ২৬ রবি তুমি উদয় হ'লে কেন আজি গগনপটে নবমীর ট।দ যেও না চলে

মারে রাখি ২৭ মায়ের রূপ মুখবদ্ধ ২৮ কেমন ক'রে জান্লিরে মন ৩০

ভুবনমোহন রূপটি কোথায় পেলি দিগ্বসনা লোলরসন।

ভেবে তোরে ৩১ কাজ কি আমার নয়ন মুদে টা

নাম/প্রথম পংক্তি কালে মেয়ের রূপ দেখে যা ওরে তোরা! ধ্যানে মায়ের রূপ চিনেছি ভীষণ! ভয়ঙ্করী ভীম! নৃত্যতালে চলে বামা কে পরাল মৃণ্ডমালা বর্ম রূপে সৃষ্টি কর অরূপ তোমার রূপের লীলায় নয়ন মুদে দপ দেখিগো। কে বলে মা দিগন্বরী শবাসন' যে আমার নয়ন-তার৷। মুণ্ড কাদের গলায় দিয়ে কালে মেয়ের রূপ দেখে যা ওরে তোরা নয়ন মেলে মা কেমন মুখবন্ধ (মাগে) একলা আমার অর্ধরাতে অভয় বিলান মা অভয় শ্যামল ধরায় চরণ ফেলে অবিশ্বাসী দ্যাখরে চেয়ে অরূপ তুমি রূপের নাটে দেখলে কেমল মায়ের বরণ কি রূপ দেখালি'ম। কৈবল্যদায়িনী কালী কেউ বলে তুই দেশের মাটি ফন্দী এ*টে বন্দী কর হাড় জ্বালানি তুই মা মেয়ে আমার মায়ের স্ব্ূপধযেকি তার! তে!রে চিনিতে নারি মা মা বলে ডেকে ডেকে

পৃষ্ঠা

৩২

৩৬

৩৭

ন[ম/প্রথম পংক্তি কালো মেয়ের দ্ূপের আলোয় 'কে জানে মোর মা-টি কেমন আমার মনের অন্তরালে মাগো আমি তোমাক্স চিনিতে নারি মনোদীক্ষা মুখবন্ধ বল্‌ দেখি মন সত্যি করে মন আমার জানে ভালো (আমার) মন মজেছে ফল পেকেছে মনে আমার ডাক এসেছে কি জানি মোর কেমন করে আয়রে মন পাতৃবি খেলা ওরে আমার মন করেছি জবার মালা আমি তোমায় ডাকিনি মা স্বর্গের তুমি নও ম1 দেবী মায়ের হাতে বীণাখানি সত্যশুদ্ছি হয়রে মনের অক্তরে রাখি মাকে পুজি চোদ্দ পোয়া! জমিখানি মায়ের বর্ণ শুনিস্‌ কালি কেনরে মন ভবে এসে আমি মা তোর চরণতলে কলুর গরু কর্লি মাগে! মন তুই বেড়াস্‌ ঘুরে কোথায় গেলে শাস্তি পাবে আপন ভুলে পরাণ খুলে €কান্‌ সাধে তুই মনরে আমার

পৃষ্ঠা

৪৫

চে

৯১

৪৬

৫২

?)

&৩

নাম/প্রথম পংক্কি কেমন মেয়ে মাগে। তুমি ভক্তের আরুতি মুখবন্ধ

পৃষ্ঠা

৫৯১

৬০

এমন শুভদিন আমার কবে বা হবে ৬২

ম1 ম] বলে ডাকৃলে পরে কোথায় আছিস্‌ বল্‌ না শ্যাম! কাল হল মোর কালী বলে নেচে নেচে আয় মা শ্যাম অভয় দেগে] ম] অভয়া

সেই ভয়ে মুদিনে আখি কালীর চরণ নেব চিনে

আমার চোখে কালী মুখে কালী

কালী কালী বলে মাগো কোন্‌ ফ্কুলে মা তোরে পৃজি ধুলাখেলা খেল্তে মাগো ফুলশুদ্ধি, জলশুদ্ছি

হদয়-শ্মশানে মম আয় মা শ্যামা

কোথায় থাকো মাগো! কালী আল্তা রাঙা পরিয়ে দেব রাড মা তোর চরপতলে ভবের খাতায় নাম লিখিয়ে শেষ নিবেদন শোন্‌ মা আমার

(আমি) গান শোনাবে। নিরজনে

রসনা যদি যায় মা ভুলে আমি ইতিহাস পড়বো বলে মন করেছি

(আমি) গান গাই ষে আপন মনে

কি দিয়ে সাজাব মা রাঙ্গ। চরণতল বিশ্বে তোমার কতই কাজে

চা

৬৩

চু

৭৩

ঠা

নাম/প্রথম পংক্তি নৃতন ঘরে পাত্‌বো খেলা চোদ্দ পোয়] জমিখানি গুরুদত্ত বীজ বুনি বুক পেতে কি শিবের মত আমিকিমা তোমার সভায় পাইনি ঠাই জবার মাল কণ্ঠে পরাই

নেচে নেচে আয় মা শ্যামা একবার কালী বল মন-রসন।

মন্ত্র প'ড়ে দিবানিশি তোরে ডাকি

বজ্ে বাজে তোমার ভেরী তোমার সভায় পাইনি ঠাঁই দাড়িয়েছিলাম দুয়ার পাশে দিন কাটে যে আশায় আশায় এই কি মাগো তোমার রীতি

আমার তমা ভয় ভাঙ্গে না টুরাশী লক্ষ জন্ম ঘুরে দেখতে পাইনে জবা তুই আপন গুণে এবার আমি মনের সুখে গ1ইবে। গান আয় মা শ্যাম] নেচে নেচে তোর নাচে যে বিশ্ব নাচে শিখি নাই মা তোমার পুজা ওগো আমার মা-জননী (মাগে) পারখ্খীরে শিখালে গান ওঙ্কারে মা তোর যে স্থিতি

সাধন ভজন জাঁনিনে ম। তোরে ডাকি মা মা বলে

52

৮২

৮৩

78

নাম/প্রথম পংজ্ি পৃষ্ঠা

সব অহঙ্কার এবার মাগে।

দিলাম তুলে ৮৪ সবই আমার কেড়ে নিলি ৮৫ কালীদহে ডুব দিয়ে মা রর তুই কি রবি অজানা মাচিরদিন ৮৬ পৃজ্‌তে চাই চরণ ছুটি সুযোগ দে মা » কোন্‌ স্বরে মা গাইবো গান ৮৭

ছ'জনায় মোরে পথ দেখায় মা রি গান গাই আমি নিরজনে

মা দাড়িয়ে আড়ালে শোনে ৮৮ এই ভবনের ঘরে ঘরে

তোর পৃজা মা ঘরে ঘরে ৮৯ আশায় আশায় বাস] বেধে

দিন কি যাবে শিয়রে শমন দাড়াবে যখন ৯০

55

তোর রঙ্গ দেখে ভঙ্গ দিলাম যেদিন আমি রইব না মা এই ভবে ৯১ শেষ বাসন। সপে দিলাম

ওরে মন তুই কেমন করে পাবি ৯২ আমি তোমায় গান শোনাবো রং শোন্‌ গো মা শবাসনা শেষ

নিবেদন ৯৩ ধনের কাঙাল নই মা শ্যাম] কার ঘরে আজ গান শোনাবে! ৯৪

কোন্‌ সে মন্ত্রে পূজ্‌বো চরণ

বারে বারে আপি ফিরে ৯৫ ভবের সুখ দুখের বোঝা বাঙা পায়ে রাজ জবা ৯৬

ভজন পুজন আরাাধন!

নাম/প্রথম পংক্তি নেচে নেচে আয় মা শ্যামা

নেচে আয় ম৷ ৯৭ ডাক দেখি মন কালী বলে-_- কে বলে মোর কালী কালো রর

পৃষ্ঠা

জয় কালী জয় কালী বলে ৯৮ হাসিমাখা মুখটি হেরে রি অনেক ভক্ত তোর চরণে ৯৯ মুক্তি দে মা মুক্তকেশী ধনজন সংসারে আমায়

বেধে রাখবে তারা ১০০ কেন মা তোর পাইনে দেখ! রর আমি যখন গেয়েছি গান ১০১

কি মন্ত্রেমা পৃজি চরণ

(আমি) মন-কৃসুমে পূজবো শ্যামা ১০২ ব্রক্মময়ী তুই মা শ্যাম। রর পাষাণী বে মা-টি আমার ১০৩ ঘটে-পটে পৃজ্‌বো না আর র্‌ আধারে তোর ষাওয়। আসা ১০৪ রাজার মেয়ে পূজ্‌বো চরণ মোর সাধনা শবাসনা দোষ কারও নয়গে শ্যামা রি সাধন-ভজন নেইক জান ১০৬ তোরে যদি ভুল বুঝে মা রা তুই যদি মা দাঁড়াস্‌ পাশে ১০৭ কেনরে মন ভাবিস্‌ বসে 2 পূজায় বসে ডাকি তার! ১০৮ শ্যাম! তুই আছিস্‌ ব্যাপে র্‌ রঙ্গময়শ রঙ্গে নাচ খেলায় মেতে ১০৯ ব্রঙ্গাময়ী এই কি তোর বিচার বটে * আমি কি গাইতে জানিগান ১১০

নাম/প্রথম পংক্তি দিন মোর এগিয়ে এল কালী কালী বলে মাগো ভাসি আমি জনম ভরে খুঁজি তোরে কালী কল্প-তরুমূলে বাধ্‌বে। বাস (তোর) বাশীর স্বরে মন না! জাগে

জন্ম নিলাম ধরার কোলে নিত্য নুতন গাই মা গান

রাজার মেয়ে তুই মা শ্যামা চিন্তে তোরে জনম গেল

বিষয়-মদে মত্ত হয়ে সুখ চেয়ে মা করেছি ভূল

রাজ] চরণ পুজ্‌বো। বলে সাড়। দিবি বল্‌ ম। কবে

আমি কি তোর শনের মুড়ি ভয় করিনে তোর বাধনে

একৃল1 গরু নাই মণ জুড়ি

নয়নে নয়ন রখ যে আমার নয়ন-তার।

(কবে) মোর গানের ডালি তোর চরণে

পথে এসে মা পথ না পাই

কি দিয়ে সাজাব শ্যাম! রাঙ্গা চরণ

দুখ দিয়ে মা পরখ কর

কে বাদ্িজ চণ্ডাল মা বুঝতে নারি

নাম/প্রথম পংক্তি পৃষ্ঠা মনে মনে ডাকি শ্যাম! জানে না কেউ ১২১

আমি দেখি নয়ন মেলে নিত্য উষ্ণ সন্ধ্যাকালে ১২২ রাঙ। রবি অন্তকালে তোর চরণে ১,

মাহার। দুখ দেখে আমার ১২৩ মুক্তি চাই না ভবে আমি মুক্তি নিয়ে করবে৷ কি মন ১২৪ যখন আমি রব না! শিবে রী ভরসা যদি নাই বা থাকে ১২৫ করুণাময়ী তোর করুণায়

পাষাণেরও রঃ ইচ্ছাময়ী মা মুখবন্ধ ১২৬ তোরই ইচ্ছাতে সবই ঘটে ১২৭ ইচ্ছাময়ী তার! তুমি ইচ্ছাতে তোর বিশ্বগড়। ১২৮

ইচ্ছাময়ী মাগো তারা রঃ ইচ্ছাময়ী বলে জানি মাগো

তোরে ১২৯ ইচ্ছ! করে ভবে এনে ইচ্ছাময়ী মাগে। তুমি ১৩০ চিন্তামণি তার। মুখবন্ধ ১৩৯১ কেন আমার হয় ন। চিন্তা ১৩৩ তার নামের স্বর পানে ডঃ সবার চিস্তা করছে৷ নিতি ১৩৪ করুণারূপিণী মা বা করুণাময়ী ম! মুখবন্ধ ১৩৫ মা) ভোমার করুণা কত

বুঝেছি মা ১৩৭

নাম/প্রথম পংক্তি বারে বারে ভবে এনে শুনেছি ম! ভবদার। রাঙা] জবা! চরণে করুণামাখা নামটি তোর ( করুণামক্সী মাগো আমার )

তোর করুণা

করুণাময়ী মাগো তার] মায়ের আমার করুণ। কত বাদল ধারায় তোর করুণা কালভয়হারিণী মা মুখবন্ধ সম্ভানে তরায়ে মাগো কালভয়ে কি কালী ডাকি কালী বলে কাল ফ্কুরাবে পথের কথা যখন ভাবি ভূবনভোলা রূপ নিয়ে তোর আনন্দময়ী মা মুখবন্ধ আনন্দময়ী তুই মা শ্যাম। ফিরে চল মন আনন্দমক়ী মা যে আমার ভবের খেল সাঙ্গ ক'রে আনন্দময়ী তুই'ম! শ্যাম! আনন্দময়ী তোর আনন্দে শিবের বুকে চরণ দিয়ে আনন্দময়ী মাগে! তারা ( মোর ) মূলাধারে বীণার স্বরে একৃলা৷ কেন মরি ঘুরে স্বপনচারিণী ম। মৃখবন্ধ

১৫১

১৫২

নাম/প্রথম পংক্তি স্বপনে-যার গতিবিধি মা! আসে মোর রাত গভীরে দিন কাটে ম। দিন-তারিপী মাকে আমার মিছে ডাকি মনে মননে পৃজে শ্যামা মুক্তি নিয়ে কর্বি কি মন স্বপনে দেখ দিয়ে কেন মাগো স্বপনে তোর লুকোচুরি মন্ত্র আমার নেই মা জানা স্বপন ঘোরে রাঙ। জবা নিশীথ রাতে অন্ধকারে অস্তরবাসিনী মা মৃখবন্ধ জগং জননী মাকে আমার তারা দেখে গগনতলে মাগো আমি কারে ডাকি কোন্‌ করুণায় কর্লি মাগো! মা তোমার করুণ কত আমি কেন কাশীবাসী হব ( আমি ) নয়ন মেলে গগনতলে দ্বিজ রেণুর এই মিনতি করুণা তোর জানিনে শ্যামা তোরে ডাকি তারা তারা দীন-তারিণী তারা যখন আমি গাইতেছিলাম

(আমি ) মনে মনে ডাকি তোরে

লক্ষ জনম সাধন ক'রে মার করুণার ফস্তধারা

কোথায় আলো কোথায় আলো

নয়ন তোমারে পায়নি খুঁজে

নাম/প্রথম পংক্তি শুন্য আমার হৃদয়মাঝে যেথা সবাই পথটি হারায় অভেদরূপিণী মা মুখবন্ধ কে আবার বাজায় বাশি শ্যামা তোরে শ্যাম সাজায়ে দেখি আয় কি রূপ হেরিনু মাগো কাঙাল দুটি নয়ন ভ'রে মন কেনরে ভিন্ন ভাব কালা আর তারা!.কলী মন-পাখী তুই দিস্নে ফাকি বৈষ্ণব কি মা আমি শাক্ত এশ্বর্ধময়ী মা মুখবন্ধ শ্যামা মায়ের নৃত্য দেখে বিশ্ব জুড়ে তোর পুজ। ম] মাগো আমি দেখি তোরে রাঙা চরণ তোর মা দেখি জগন্ম।তা তুই যে শ্যাম। আমার মায়ের স্েছের ধারা বিশ্বরূপা মা মুখবন্ধ নয়ন মুদে দেখি তারা ফুলেও তুমি ফলেও তুমি মৃতিতে মা নারায়পী রূপ দেখে তোর নয়ন ভরে ফুলগুলি মা ফোটে বনে ভাগ্যে আমায় আন্লি ভবে ফুলের গাছের পাতায় পাতায়

১৭৪

১5৩ ১৮৩

নাম/প্রথম পংক্তি দেশ-বিদেশে বৃথা ঘুরি সন্মস্ী তুই জগদ্ধাত্রী মন কেনরে মাকে পুজিস্‌ একৃল। বসি গাছের পাত। পড়ে খ'সে আমার মায়ের রূপ দেখেছিস্‌ বিশ্বরূপা মায়ের আসন লীলাময়ী ম। মুখবন্ধ অবিরাম তোর চল্‌্ছে খেলা ভাই দ্যাখ সংসারে এক বসেছে বিরাট মেল! সাড়। তুমি দাও না তারা নিদ্‌-হারা মোর আখি নিয়ে যতই আমি পলাতে চাই কত রঙ্গ রঙ্গময়ী অঙ্গনে তোর লীলাময়ী বল্‌ মা শিবে মন্ত্র-তন্ত্র পাইনে শ্যামা কোন্‌ ভাবে তুই আছিস্‌ ভবে সখের খেল্না তৈরী করে অভিনয় মোর চল্ছে মাগে! এই ভবেরই রঙ্গমঞ্চে কত রঙ্গ দেখ1ও কালী ধরার ফুলে ফলে মাটির পুতুল আমি মা তোর বিশ্বজড়ে খেলাঘরে তুই আছিস্‌ মা জাল কেটে মা পলাতে চ।ই ব্রক্মময়ী মা মুখবন্ধ

নাম/প্রথম পংক্তি প্রলয়ে মা দেবৃতার1 সব নিগুণে তুই সগুণ শ্যামা ত্রক্মরন্ধ্ধে সহম্রারে কারে ডাকিস্‌ মন কালী বলে শান্ত্রকথ। শুনে হাসি পরমার্থ পরম কারণ লীলামক্সী তুমি মাগে।

(আমি) সকল ভূলে নয়ন মেলে

বেদে যা বলিতে নারে

আমি জয় কালী জয় কাল বলে

মন্ত্রে তার যন্ত্রে তারা ব্রক্মময়ী শ্যামা! আমার তোর রূপে মা ভূবন ভরা মানস পৃজ।

মুখবন্ধ

পৃষ্ঠা

২০৯

২০৮

আমার হৃদি-পন্লাসনে বিরজ। মা ২১১

আমি মা! ভোর চরণতলে

বন্ধ নয়ন খুলে দে মা দেখি চরণ

নয়ন ভরে

রন্ধে রন্ধে কালীর দাগ বসনভূষণ নেই ম! বলে বন্দি তোরে মাগো শ্যামা মন্ত্র আমি পাইনে তার ভবের ঘরে জন্ম নিলাম লোক দেখানো মায়ের পৃজায় হদয়-আসন পেতে রাখি আমার হৃদয়-বীপার তাতে কাজ কি আমার সন্ধ্যা পৃজা যখন আমি পূজায় বসি যখন পুজি ফুলে ফলে

$?

২১২

নাম/প্রথম পংজি

€আমি) মনের পাতায় কালির

দাগে আমার মায়ের চরণ ছুটি মনে মনে পূজ্‌বো শ্যামা চিন্তে তোরে জনম গেল মায়ের নামে নয়ন ঝরে নন্দনেরই গন্ধ ঘ্রাণে মন জাগে মোর

(আমি) ধন পেয়েছি মনের মতন

নয়ন মেলে দেখবো! তোরে (আমি) মনে পৃজবো শ্যামা তোর পুজার আসনে বসি বনের ফুলে পৃজ্‌তে গিয়ে ঘর-ছাড়1 মোর মনটারে মন্দিরে আর কাজ কি আছে স্বপন ঘোরে রাঙ? জব নিত্য আমি আনি তুলে সাধন-শক্তি মুখবন্ধ

মা মা বলে তোরে ডাকি বেল-

শেষে (ওরে শমন).কণ্ঠ চেপে ধর্বি ব'লে আমি যখন থাকি বসে ঠীই করে মা ভক্তি দিয়ে পুজ্‌বে) না মা পুঁজ! পেয়ে লোভ বেড়েছে ভবের খেলা শেষ করেছি আমি চরণ-ধনের অধিকারী মার আদি-অন্ত খুঁজতে গিয়ে

২২৫

২২৭

নাম/প্রথম পংজি

কোন্‌ সুযোগে লুকিয়ে মাগো

নেংটা মায়ের ছেলে হয়ে

নাম মহিম!

মৃখবন্ধ

নয়ন-ভরে দেখি মাকে পরাণ ভ'রেডাকি তার।

কালী ব'লে কাল কাটে মোর

এমন মধুর নামটি কোথায় বল্‌ মা পেলি

দুর্গা নামে দুর্গতি যায়

যখন ডাকি তারা তার।

দুখ দিয়েছ তাই কি শ্যামা

কালী লাম সুধারাশি

এত ডাকি ম! মা বলি

স্বপন ঘোরে নাম পেয়েছি

কালী ব'লে কাল কাটে মোর

কালী ব'লে মাকে ডেকে

তোরে যদি না পাই শ্যাম!

আনন্দে আজ ধরি তান

চরণ তীর্ঘ

মুখবন্ধ

স্ুখদুখ জানিনে শ্যামা

আর কোন সাধ নাই ম! আমার

কালী মায়ের পদতলে অজপা মোর

(আমার) মন্ত্রে তারা যক্ত্রেতারা মন আমারজানে না মা তোর

কামন] মোর শেষ করেছি কাজ কি আমার শিয়ে কাশী

পৃষ্টা

২৩১৯

২৪৩

২৪৪ ২৪৫

২৪৬

নাম/প্রথম পংক্তি পরিশিষ্ট ফুলরা মা তারাপীঠের তাঁরা ম। নন্দিকেশ্বরী মা

পৃষ্ঠা

২৪৭

ত্ঞ টি

২৪৮

নাম/প্রথম পংক্তি কঙ্কালী মা বক্তেশ্বর ললাটেশ্বরী মা

পৃষ্ঠা! ২৪৮ ২৪৯ ২৫০

উমার জন্ম

পরমপুরুষ বা ঈশ্বর ব৷ ব্রন্ম সৃষ্টিলীলামানসে প্রকৃতি বা মহাশক্তির সৃষ্থি করিলেন তিনি ব্রক্মশক্তি, প্রকৃতিরূপা মহামায়া_মাতৃকারূপিনী ইহাকেই আদ্যাশক্তি বল। হুইয়। থাকে এক কথায় ইহাকে মাতৃদেবী বা শক্তিদেবী বলা যায় ভারতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই শক্তি বা মাতৃদেবীর পরিকল্পনা পৃজাবিধি পরিলক্ষিত হয়।

প্রাচীন ভারতবর্ষে সিন্ধু সভ্যতায় বৈদিক সাহিত্যেও এই মাতৃদেবীর পরিকল্পন৷ রহিয়াছে খণ্বেদের দেবীসুক্ত রাত্রিসৃক্তে এবং সামবেদের রাত্রিস্ৃক্তে শক্তিবাদের পরিচয় মেলে খণ্েদে ভুবনেশ্বরী দেবীর মন্ত্র আছে। দেবীর বিভিন্ন মতি বেদ-পুরাণ, উপনিষদ বিভিন্ন তস্ত্রে শক্তিদেবী বিভিন্ন নামে অভিহিতা। কোথাও তিনি ভবনেশ্বরী, কোথাও পৃথিবী দেবী, কোথাও সাবিত্রী, কোথাও ভদ্রকালী, কোথাও তিনি চণ্ডী, পার্বতী-উমা-দর্গা-কালশ ইত্যাদি সকল মাতৃদেবীই এক মহাশক্তির বিব্তিত রূপ আর সৃষ্টি- স্থিতি-প্রলয়রূপিনী আদিভৃতা বিশ্বজননী ব্রন্মশক্তি কিন্ত ব্রচ্মা হইতে পৃথক নহেন--অভিন্ন কালবিশেষে তিনি ভিন্ন ভিন্ন মৃতি পরিগ্রহ করিয়া দেবতাগণের জীবকুলের মঙ্গলার্থে লীলা প্রকটিভ করিয়। বন্দিত পৃজিতা হইয়াছেন।

ডঃ শশিভূষণ দাশগুপ্ত মহাশয় তাহার “ভারতের শক্তি-সাধনা শাক্ত সাহিত্য” গ্রন্থে এই শক্তিদেবীর আলোচন। প্রসঙ্গে বলিয়াছেন-__

“এই মাতৃদেবী ব! শক্তিদেবীর প্রাচীন ধারা লক্ষ্য করিলে মনে হয় দেবীর প্রাচীন ধারা মুখ্যভাবে দুইটি £--একটি হইল শস্য গ্রজননী এবং ভূতধারিণী পৃথিবী দেবীর ধারা; অপরটি হইল এক পবতবাসিনী. সিংহবাহিনী দেবীর ধারা, যিনি পরবর্তীকালে পার্বতী, শিরিজ।, অদ্রিজ। বা অদ্রিকুমারী, শৈলতনয়! নামে খ্যাতা। এই পাবতীই হইলেন উমা

মহাভারতে পাওয়া যায়__“প্রথমে দেবী বিন্ধ্যাচলের অরণ্যবাসিগণ কর্তৃক কুমারী রূপে পৃজিতা। শীঘ্রই তিনি শিবসঙ্গিনী রূপে পরিগণিতা এবং উম] রূপে পরিচিতা হন।” (ত্রীশ্রীণ্ডীর ভূমিকা-_জগদীশ্বরানন্ন )।

পণ্ডিতগণ “উমা; শবের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়াছেন। কেহ বলেন “উ*' শব্দের অর্থ শিব আর “মা, শব্দের অর্থ স্ত্রী তাই “উম” হরজায়1, শিবানী তিনি আবার শিবের 'মননকারী” মো শব্ষের মননকারী অর্থে) বা “পরিষাপক,

ব. বি./শ্যামা-সঙ্গীত।৩২-১

(মা শব্দে মাপ করপার্থে)। কেছ বলে পার্বতীর জন্মকালে 'উম1 উম, শব্ধ হওয়ায় তাহার নাম হয় উমা কালিদাসের কাব্যে পাওয়। যায় বনছজনের কাছে হিমালয়-সুতা “পার্বতী, নামে কথিত। ছিলেন, পরে মাত! মেনকা হর-প্রিয়। পার্বতীর কঠোর তপশ্চর্যা জনিত রেশ দর্শনে স্পেহভাজনা কম্যার তপ-সাধনা নিষিদ্ধ করেন-_-'উ-মা-_-তপস্যা করিও না। তখন হইতে তাহার নাম হয় উমা-- “উ মেতি মাত্রা তপসে' নিষিদ্ধা পশ্চাং উমাখ্যাং সুমুখী জগাম ।”

দক্ষকন্যা সভ্ভী প্রজাপতি দক্ষের ষজ্ঞকালে শিবনিন্দ শ্রবণে যোগবলে দেহত্যাগ করেন। পরে হিমালয় গৃহে মেনকা গর্ভে পার্বতী ব1 উমা রূপে জন্মগ্রহণ করেন। উম] মা মেনকা'র স্বেহের ুলালী। তীাহাঁর জন্য মেনকার স্সেহের অস্ত নাই। দেবকুলও প্রসন্ন এই উমার আবির্ভাবে। হিমালয়-গৃহে আনন্দের বন্যা প্রবাহিত। মেনকা-ক্রোড়ে দুহিতা উমার আবির্ভাবে তাই শঙ্খধবনি হইল, পুরনারীরা জয়ধ্বনি দিলেন, দেবোদ্েশ্য সাধিত হইবে বলিয়া দেবতাগণ হর্ষোৎফুল্প হইলেন

এই উমা! ব্রন্মবিদ্যা-দূপিনী আদিশক্তি ব্রন্মজ্যোতিরূপিনী, সুবর্ণকান্তি হৈমবতী বাঙ্গালীর জাতীয় মানসে আদ্যাশক্তি স্বরূপিনী উম কিন্তু দেবী হইয়াও গৃহাঙ্গনের ধুলিমাথা কন্তাতে রূপান্তরিত হইয়াছে আমাদের পারিবারিক জীবনে কন্যার জন্মলগ্নে যেমন আমরা আনন্দিত হই, তাহাতে একটি বাৎসল্য রসের স্রেহ সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায় ;উমার জন্মও সেইরূপ ভাবেই সাধক কবিকুল বর্ণনা করিয়া তৃপ্তিলাভ করিয়াছেন। এই পদাবলীতে সেই হর্ষোৎফুল্ল মনের প্রকাশ দেখিতে পাওয়া যায়

হ্যামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

মা! এসেছে গিরির ঘরে শুন্যহৃদয় পূর্ণ করে জগন্মাতায় শিশুরূপে লালন কর বক্ষে ধরে।

অকলঙ্ক পূর্ণ শশী মুখে মাখা নেইরে মসী

কল্যাণে পরকাশি নাও মেনকা। আদর ভরে

্র্গমত্য অ্রিভূবনে নাই তুলনা এই রতনে

সফল জনম এতদিনে পেয়ে তারে আপন ঘরে

পৃরব গগণে জগত জননী এল আজি অচল ভূধর দেখে ভরে মন মেনকা ভাগ্যে দেবের আরাধ্য

উমার জন্ম

দিক প্রকাশিল। গৌরী রূপে মা জনম লভিল জননীর কোলে

লীলার ছলে

আনন্দে মুখর গিরি-রাজঘর সকলে ধাইল অরূপরতন

পেয়েছে সে ধন

রাতুল চরণ নয়নে নয়ন রেণু তাই স্থাপিল

উমার বাল্যলীল। বিবাহ

দক্ষতনয়! সতী হিমালয়ের গৃহে মা মেনকার গর্ভে কন্যা) উমাবূপে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন মায়ের কোল ভরিয়াছে, রাজপুরী আনন্দে হাসিয়1 উঠিয়াছে, পুরনারীর। শঙ্গখধ্বনি ছলুধ্বনি দিয়াঃউমার আবির্ভাবকে স্বাগত জানাইয়াছে।

সেই উম! ধীরে ধীরে, আদরে স্সেহে, বড় হইয়া উঠিতেছেন। যতই তিনি বড় হইতেছেন, ততই তাহার আবদারের অন্ত নাই, খেলাধুলার বিরতি নাই-_- মী মেনকা উমাকে লইয়া সর্বদ। ব্যস্ত তাহার বন্ত্রাঞ্চল ধূলিমাখা, ক্রীড়াচঞ্চল উমাকে লইয়৷ ধুলিধূসরিত হইয়াছে উমাকে খাঁওয়াইতে, পরাইতে, শোয়াইতে, সাজাইতে তাহার মান অভিমান ভাঙ্গীইতে মেনকার সময় চলিয়া যায় তাহাতেই কিন্ত মায়ের অ।নন্দ সাস্তবনা। কন্যার সখী জয়া-বিজয়? আনন্দে খেল] করিতে মত্ত উমার বাল্যলীলার মধ্যে তাই আমর! বঙ্গজননীর স্েহ-কোমল চির-পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনিতে পাই কন্যার প্রতি জননীর বাংসল্য রসই বাণীরূপ লাভ করিয়াছে

বৈষ্ণব পদাবলীতে শ্রীকৃঞফ্ণের বাল্যলীলা বা শোষ্ঠলীলার সঙ্গে শাক্ত- পদাবলীর উমার বাল্যলীলার এখানে অদ্ভূত সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায় গিরিরাঁজ নন্দরাজ এবং গিরিরাণী নন্দরাণী, শ্রীকৃষ্ণ উমা একাকার হইয়া গিয়াছে উভয়ক্ষেত্রে একই মায়ের “স্পেহের দুলাল” বা দ্ল।লীর জন্য গভীর স্্রেহ উৎসারিত হইয়াছে আর সবই যেন শস্যশ্যামল বঙ্গ প্রকৃথ্তির তরুচ্ছায়াচ্ছন্ন গৃহাজনেই সংঘটিত হইতেছে।

শাক্তপদাবলীতে আমর। শিব-জায়া জগজ্জননী উমার কন্তারূপ দেখিতে অভ্যস্ত। তিনি কুমারী কন্য।। এই কুমারী পৃজার বিধিও ভারতে পরিদৃষ্ট হয়। সাধক রামপ্রসাদের গ।নেও কালীর সেই কন্যা! রূপই দেখিতে পাই। আমাদের দেশে প্রাচীনকালে অষ্টম বধে কন্যার 1ববাহ দিবার রীতি ছিল ইহাকে “গৌরী দান” বলা হয়। উমার অপর নাম “গৌরী” উমার গৌর- অঙ্গকাস্তি ইহার এক কারণ উমার বাল্যলীল। তাই শেষ হইয়াছে অষ্টম বর্ষে পদার্পণে হরের ঘরণী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অফ্টম বর্ষেই তিনি শিবপৃজা করিয়া পতি লাভ করিয়াছেন এবং স্বামীর ঘর করিতে শিয়াছেন টৈলাসে এখানে শাক্তপদাবলীতে সুন্দর ভাষায় সেই বাল্যলীলা অপরূপ চমৎকারিত্ব লাভ করিয়াছে

রী হ্যামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

হলে ছাড়! উমাধনে যুখশশী পড়ে মনে চেয়ে থাকি পথের পানে ফুটবে কাটা মা'র চরণে মত্ত আছে মা কিসের খেলায় বিশ্বভৃবন পায়ের তলায় ঘর ছেড়ে কে মাকে কাদায় দেখি নাই মা সারাদিনে মনে হয় ম1 বক্ষ পাতি ধরার ধূল। লুকিয়ে রাখি আখি মুদে রেণুর আখি আগলে রাখে চরণে

আকাশের ঠাদ মাখা মসী উম যখন কোলে আসি অকলঙ্ক সে মবখশশী চাইতে নারি হর্ষলাজে

শতচন্দ্র চরণতলে করছে মেল খেলার ছলে সঙ্গীসাথী নিয়ে চলে ধর্তে চাই বুকের মাঝে

দ্বিজরামের ভাগ/যফলে পদলনখে মা'র চন্দ্র স্বলে মনের আধার যাক গো চলে মায়ের প্রকাশ লকল কাজে

কোথায় ঘুমে রইলি উমা ওমা আমার দুর্গা ক্ষমা কোন্‌ খেলাতে মত মাগো দিন বয়েযায় দেখনা গো মা। পাষাণ বাপের পাষাণী মেয়ে চোদ্দ ভূবন বেড়াস্‌ ধেয়ে আমি হেথ! চরণ চেয়ে মনে কি তোর মা পড়ে ন।। এবার তোরে বক্ষে ধরে ছাড়বে! না আর নিশি ভোরে সদাই মায়ের আখি ঝরে কেদে কেদে শবাসন!

উমার বালাযলল? বিবাহ

আর্ন মা উম!

বিশ্ব পাগল

মার প্রাণে কি

আর কতকাল

সোনার অঙ্গ ভরেছে ধুলায় বিশ্বভুবন পায়ের তলায় হয়ত কাট] ফুটবে পায়

রক্ত তাজ পড়বে ঝরে মায়ের প্রাণে শঙ্কা কত কুশান্কুর বেঁধে শত বক্ষ পেতে ঢাকৃতে পথ

সাধ যায় মা দিনটি ধরে। লক্ষ জনের তুই আরাধ্য ওমা শক্তি ওম বিদ্যা কেউ বা ডাকে মা যোগাদ্যা

কন্যা আমার ব্রন্দাবরে

আয় না কোলে সারাদিন তুই বেড়াস্‌ ভুলে

যত সব সখীর সঙ্গে চল্ছে খেল" নানা রঙ্গে তারই ভঙ্গে আয় না মাগো এবার ফেলে

নেচে বেড়াস্‌ তালে তালে

আপন খুসী আপন চালে

শাস্তি মেলে আসবে নিশা! আধার কোলে। তখন যে মা ভাবনা হবে

কালিতে কালী মিশায়ে রবে

থাকবো ভবে ধরাদেমা . শেষের কালে

কোথায় বেড়াস্‌ সখীর সঙ্গে বিশ্বস্বুবন মাতে রঙ্গে ধুলা মেখে সোনার অঙ্গে

মায়ের কথা রয় না মনে।

স্যামা-সল্লীত-সংগ্রহ

বেল যে ম৷ ফুরিয়ে এল

দিনের শেষে সন্ধ্যা হল এবার উমা ঘরে চল

ধারা বয় দুনয়নে বক্ষে তোমায় আগলে ধরে উঠবো না আর শধ্যা ছেড়ে কাতর আখি পড়বে ঝরে

নয়ন ছাড়া! কি ত্বিনয়নে।

ধরে দেমা চাদের কল। এই বলে মোর কাদে বালা। তাইত দেখি আডালে বসি অকলঙ্ক মুখ শশী পূর্ণচন্দ্ মাখা মসী শতচন্দ্র চরণে খেল]।

মায়ের মনের সকল ভ্রান্তি দিয়ে মুকুর হল শাস্তি দূরে গেল সবরলান্তি

মুখে মায়ের চন্দ্র ঢাল।।

উমার বাল্যলীলা বিবাহ

উমার তপ্ত!

কেন মাতুই হলি অপর্ণা আমার কন্যা কাহার আশে

তপোমগ্ন চিন্তালগ্ন কাহার রূপে চিদাকাশে। রাজার মেয়ে রাজার ঘরে রাখবো তোরে আড়ম্বরে পাল্বে। রাজ-উপচারে থাকবি বসে ভোগবিলাসে কত ইন্দ্র বরণ পুজ্তে চায় চন্দ্রসূ্য চরণে লুটায় পূর্ণ করি তোর কামনায় রাখবো তোরে ম্বখে পাশে

পাগল হলি কোন্‌ পাগল তরে বল্‌ মা আমায় গোপন করে

তারে আমি আন্বোধরে তুষ্ট করি আশুতোষে।

শিপিপ পি লগ এপ সত অপ অপ

কপালে কলঙ্কীকলা কণগ্ঠেতে হাড়ের মালা এমন জামাই বিশ্ব খুঁজে আন্লে তুমি পাগলা ভোলা

ভাঙ্গ- খেয়ে ভাঙ্গর সাজে

ভূত প্রেত সঙ্গে রাজে

বেড়ায় বুঝি ঘরে ঘরে ভিক্ষার ঝুলি কাধে তোল।। অহিভূষা হাড়মাল ববম্‌ ববম্‌ বাজে গাল

ভস্ম মাখা অঙ্গ তার পরনেতে বাঘ ছালা। এমন ঘরে " মেয়ে দিতে

শঙ্কা হয়না তবচিতে সুকিয়ে হদে রাখবো মাকে ফিরিয়ে দেব চতুর্দোল1।

শ্য।মা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

আগমনী

সাধককবি রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত, রাম বন্থ হইতে আরস্ত করিয়া! মধুসৃদন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ইসলাম পর্যস্ত বু কবি শ্যামাসঙ্গীত রচন। করিয়? গাহিয়। শ্যামা জননীর স্ততিগানে বাংলার আকাশ বাতাসকে মুখরিত করিয়াছেন।

আমাদের দেশে দেব-দেবী আমাদের গৃহের পিতামাতা কন্যাবন্ধুর রূপ লাভ করিয়। পপ্রিয়জন' হইয়। গিয়ছেন। একট মানব সম্পর্ক গড়িয়া উঠিয়াছে। উক্ত কবি-কুলের পদে সেই গভীর আত্মীয়তার সুর ধ্বনিত হইতে দেখি তাই রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত প্রমুখ পদকতার গানে উমা মা মেনকার মাঁন- অভিমান স্লেহবিহবল ভাঁবটি সুন্দরভাবে প্রকাশিত

উমা বিবাহের পর হরের ঘরণী শিব শ্মশানে মশানে ঘ্ৃরিয়। বেড়ান, তিনি দিগন্বর, নেশা ভাঙ্গে মত্ৃ--ঘরকন্নায় তেমন মন নাই। এহেন বরের হাতে পড়িয়া বালিক1 উমার কি যে কষ্ট হেনস্তা তাহা স্রেহাতুরা জননী মেনকা ভাবিয়া পান না। তাই মায়ের মনে কন্যা! উমার জন্য নানা আশঙ্কা উদ্বেগ ( চিত্রে মেনকা'র হৃদয়াতির মধ্যে ফুটিয়া উঠে উমাও মায়ের প্রতি অভিমান প্রকাশ করে আগমনীর গানে পদকর্তী সেই জাতীয় মানসের আবেগ সঞ্চিত বেদনানৃভূতিকে অপূর্বভাবে বিধৃত করিয়। তুলিয়াছেন। )

বংসরাস্তে একবার কন্যাকে পিতৃগ্ৃহে আনিবার জন্য মায়ের গভীর ইচ্ছা শয়নে স্বপনে মাতা কন্যার চিস্তায় বিভোর স্বামী গিরিরাজকে ত্বরায় কন্যা উমাঁকে আনিবার জন্য অনুরোধ উপরোধ করেন। গিরিরাজ গিরিরাণীর কথা উপেক্ষা করিতে পারেন ন! অথচ টকৈলাসে যাতায়াত হয় না, নিত্য নান! অজ্বহাত দেখান পিতা অপেক্ষা মায়ের মন দ্রবময়ী। কন্যা শরতে তিন- দিনের করারে কৈলাস হইতে আসিতেছেন হিমলয়-গুহে-__তাহার জন্য কত আয়োজন কন্যার আগমনের সংবাদে মেনকা। বকিদ্বারে দণ্ডায়মান! ছুই বাহু প্রসারিত করিয়। স্লেহবন্ধনে কন্যাকে বক্ষে জড়াইয়া আলিঙ্গন করিয়! গ্রহে তৃলিয়াছেন। সপ্তমী, অফ্টমী, নবমী ছর্গাপূজার তিন দিন আনন্দের সঙ্গে জননীর সাহচর্ষে কাটিয়া! গেল

এই তিন দিন বাঙ্গালীর ঘরে আনন্দময়ীর আগমনে কলরব মুখরিত হয়. ঘরে ঘরে বাঙ্গালী কন্যা শ্বশুরালয় হইতে পিতৃগ্রতে আগমন করে স্েহব্যাকুল মাতৃহদয়ের আবেগমথিত আনন্দলহরী তরঙ্গায়িত হইয়া উঠে। অগ্রাপ্তবয়স্কা

আগমনী

বালিকা! কন্যার স্বামীগৃহে লাঞ্চনার জাতীয় চিত্র মেনকার হৃদয়শতির মধ্যে ফুটিয়া! উঠে | উমাও মায়ের প্রতি অভিমান প্রকাশ করে আগমনীর গানে পদকর্তাগণ সেই জাতীক্স মানসের আবেগসঞ্চিত বেদনানুভাতিকে অপূর্বভাবে

বিবৃত করিয়! তুলিয়াছেন।

ওহে গিরি আন গৌরী নিশাশেষে স্বপনে হেরি

মানাকি গো

শ্মশান বাসী দুর্গাতার।

যুগল হাতে মৃণ্ডমাল। রণাঙ্গনে

স্বপনের ঘোরে উমা ডেকে ফেরে কবে দেবে এনে মোর প্রাণধনে সাজায়েছি মঙ্জল ঘট মাত্র তিনটি দিনের তরে ফুল ফল ছয়ট। বলি অধ্্য সাজাই মোর ভকতি

ভিক্ষা) মাগি চরণ ধরি দুঃখ মার বলিতে নারি যোগিণী বেশে

শিবের পাশে

এলো কেশে

চোদ্দ ভবন বেড়ায় ঘুরি বরাভয়

কণ্ঠে রয়

কালীরূপে

নৃত্য সাজে মাকে হেরি

মা মাডাকে পাই চেতন গিরি তুমি ভাই বলনা! গৃহদারে আনি ভরে হবে যে মাকে ঘরে আনা নানা জাতি মোর শকতি পাই যদি মা শবাসনা।

শ্যামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

দেখবি যদি বঙ্গবাসী অকলঙ্ক উমাশশী আয় না আমার অঙ্গনে।

কত আলো ঝলমল চারিদিক সমৃজ্বল অমল কিরণ প্লাবনে

মসীমাথা পূর্ণশশী ল্াজে নভে আছে মিশি শত চন্দ্র মার চরণে।

বাসনা রামের মনে ধাধ্‌বো বাসা চরণে বসিয়ে হৃদি পদ্মাসনে

শি শাশপাপাদ শপ শাাপাশীপীপাদাদ শি

বড় আনন্দে থাকি উম! তুই এলি মা! আমার ঘরে সারা বছর আশ। করে পেলাম তিনটি দিনের তরে আড়ম্বরে হয় আয়োজন কত করি বাদ্যি বাজন কামনা! মোর রাঙা চরণ পেতে চাই মা বক্ষে ধরে।

বোধনের ডাক কেঁদেফেয়ে ঘুমায় নাকি মা টৈলাসে

করছে মানা দত্যি দানা অসুর পলায় সেই তরাসে। পাষাণবাপ মায় নেই তারে করে অর্পণ এমন বরে অপমানে লাজে ভরে

আপন ভাই পরাশ নাশে। আন্তে গৌরী যাবে গিরি তাইত প্রাণ আছি ধরি চিস্তামণি মা আমারই

হদে ধরি রাখবে পাশে

পপ সপ আপস পপ আজ

আগমনী ১১

৯২

তুই ছিলিস্‌ মা ঘুমছোরে

বোধন ক'রে ডাকি তোরে

তবু তোর মা হয়ন দয়া মহামায়। আয় মাজ্রঞোড়ে। মায়ের পরে নেই মা মায়া তিনটি দিন পাব ছায়া

সেই আশাতে অভয়। বসে আছি পথের দোবরে

সদাই মা

মা বলেডাকি

দিস্নে মা আমায় ফাঁকি ঘুম নেইগো জেগে থাকি দেখি স্বপন নিশি ভোরে।

মা উমা তোর তরে

মায়ের যুগল আখি ঝরে বুড়ে! এক শিব নাকি

মায়ের প্রাণে বেদনা কত

ভাই বিবাগী রয়না ঘরে বাপ যে পাষাণ মুতি ধরে। ষাড়ে চড়ে ভিক্ষা! করে জানাই কারে লাজে ডরে।

তোরই আগ-মনের লাশি

নিশিদিন মা রইনু জাগি

শিবের কাছে ভিক্ষা মাশি আয় মা তিনটি দিনের তরে। শিবের ঘরে কত্াল। শুনে কান ঝালাপালা

ভাঙ্গ- খেয়ে ভাক্ষর ভোল'

তোর চরণই বক্ষে ধরে।

ওহে গিরি গৌরীবিনে শান্তিরয়কি মায়ের প্রাণে তার কথ! আর জানাই কারে যুদ্ধ ক'রে রাত্রি দিনে। পাষাণ বাপের পাঁষাণী মেয়ে কেন মা তুই বেড়াস্‌ ধ্্‌ মায়ের বুকে থাক্‌ ন! শুয়ে

বছরে এই তিনটি দিনে

শ্যামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

কখন মা! অন্নপূর্ণা দশমহাবিদ্যাধন্! উমা আমার সাধের বন্থা প্রাণ ধাচে না সে মা বিনে।

রইলি উমে কেদে কেদে হলেম সার।

কোথায় ঘুমে মায়ের পরে নেই মমতা পাষাণী তোর এই কি ধার!1। বছরে মাত্র তিনটি দিনে পাই যে মোর উমাধনে পূজ্‌তে তোরে নিশিদিনে উপচার মোর হৃদয় ভর।। স্বর্গমুখ মা মা বোলে সেই সুখে মোর পরান ভোলে আয় মা এবার আমার কোলে ঘটেপটে রূপে তারা এনে দে মোর উমা ধনে প্রাণ ধাচে না মেয়ে বিনে শুনছি নাকি মা ষাাড়ে চড়ে হরের সাথে ভিক্ষে ক'রে অন্নদ' রূপ কত ধরে অন্ন বিলান লক্ষজনে জামাই ভোলা দিগম্বর ভস্মভূষণ ফণিধর ভালে অধচন্দ্র কল? অশ্িচাল' ত্রিনয়নে সভা মায়ের পতি শিরে হরের সনে পাবতীরে হেরে-সদাই রোষ ভরে ঈর্ষার কত জাল বোনে। এবার তবে উম এলে রাখবে তারে বসিয়ে কোলে ভূলিয়ে দেব ভোলানাথে ভাঙ্গের বাটি হাতে এনে

আশমনী

৯৩

উমা আমার এল কই

সে আমার কোলের মেয়ে জানে না আর আমা বই আমি আর সইতে নারি ওহে শিরি আন গৌরী

প্রণণ বা কিসে ধরি দুখ বা কারে কই। বিল্বমূলে বোধন করি ডাকি আমার উমা গৌরী

মা বুঝবি গো গোসা কৰি রাতে বলেন হেথায় শুই জয় তোর! যাবি প্রাতে হয় হত্তী নিয়ে সাথে

আন্বি না হয় স্বর্ণরথে তোর তাঁর প্রাণের সই। তিনটি দিন রাখবো বলে বাখুবি মায়ে কোন ছলে

৯৪

দিবানিশি উমা শশী উদয় হ'লে সুখে রই মাআসেরে মা আসেরে শোন্রে তোরা পাড়াপডশী বারে বারে অস্ত্রধ'রে মায়ের বর্ণ হ'ল মসী। দেষতারা সব পিছন হ'তে অন্ত্রযোগান মায়ের হাতে দৈত্য নিধন দিনেরণখতে কালী হ'ল উমাশশী অকালবোধন বিল্বমূলে যোগনিভ্রা ভাঙ্গবে বলে তিনটি দিন মাকে পেলে ধন্য হবে বঙ্গবাসী। ঘরে ঘরে মেনক! রাণী পাষাণ বাপ তুই পাষাণী কাতর ক্ঠে ডাকৃছে শুনি তুইবিনেমা সব উদাসী। ক্ঠামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

ষ্ঠীতে মা বোধন সারি আছি মাগো উম? স্মরি আস্বিকবে শিরির ব।ড়ী দয়া তোর মা কবে হবে। সেই রাতে মা বিল্রমূলে থাকৃতে কি হয় মাকে ফেলে আস্বি ষখন মায়ের কোলে তিন দিনঘে পেরিয়ে যাবে জয়। তুই যাবি ভোরে মাকে আমার আন্বি ধরে রাখবে তারে বক্ষে ধরে শান্তি পাই না শিবকে ভেবে নাহি কোন কলার ক্ষয় দেখবো পূর্ণ: চক্ত্রোদয় অকলঙ্ক শুধু ভয় আবার কি হায় ডুবে ষাবে।

যাও হে শিরি কৈলাসপুরী

মা বিনে আর প্রাণ বাচে লা

পাষাণ স্বামী কিবা করি আমি মায়ের বেদন তুমি বোঝ না।

মেয়ে আমার ভল্কম ভূষ

তথা সেথা

গোৌরবর্ণ কালী নামে মায়ের আমার

ভিক্ষার ঝুলি ত্রিভুবন কি আছে কি

সোনার অঙ্ে মেখে বঙ্গে হরের সঙ্গে বেড়ায় তুমি তাও জান না। হ'ল মসী ডাকৃলে খুশী হাতে অসি দিগ্‌বসন! বসন বিনা স্কন্ধে ধরে বেড়ায় ঘুরে নাই ঘরে জামাই তার খেশক্জ রাখে না।

কোন্‌ অভিমানে হরের ঘরে রইলি উমা বছরতরে তিনটি দিন পাবার আশায় আছি মাগে। প্রাণটি ধরে। আস্বি বলে শিবের সাথে চুয়াচন্দন ছড়াই পথে মঙ্গল ঘট আঙ্গিনাতে আয় মা গণেশ সাথে ক'রে ভাঙ্গ খেয়ে মা নেশার ঘোরে , জামাই বেড়ায় পথে ঘৃরে

সেই ভোলা ভিক্ষা করে শুনে প্রাণ কেঁদে মরে। এবার পেলে ছাড়্‌ৰে। না আর রাখবে মায়ে লুকিয়ে ঘরে রেগ্র বলে চরণে বেধে রাখ মন পরাণ ভরে

শুনি মেনকাঁর কথা আনিতে কন্যার বাঁরত। দ্রুত গেল হিমালয় কন্ত। তার রয়েছে যথা আনন্দে কৈলাসপুরী যেথা আছে ত্রিপুরারী চলে গেল ত্বরা করি হরষ মনে না সরে কথা মাত্র তিনটি দিনের তরে মারে নিতে হবে ঘরে যদি মত না করে হরে না বুঝে মার কি মমতা কন্যা আসি নমিতে চায় বারণ তরে ধায় তরায় দেবগণ যার নমে পায় তার সাজে না নীচু মাথা

আজি কি আনন্দ ধরণীতে মা এসেছে আঙ্গিনাতে বরণ করে নাওরে মন আজিকার শুভগ্রাতে মার নামেতে পুর্ণ কর! মঙ্গলঘট হল ভরা

শ্যাম1-সঙ্গীত-সংগ্রহ

আত্ম পল্লব

রাশি রাশি গন্ধপুষ্প

দেব এবার ঘয় সাজাতে

বারবার

আরও যত উপচার

আন্‌ গো তোর

করি ত্বরা

পূজার বেলা যায় নাষাতে।

বস্বে। এবার নিরজনে

চল্বে পৃজা অর্থ্য দেব

হৃদয় রাজ্য

হিমাচল গিরিরাণী

আলো! করে ত্র করে যুগল শিশু

নিশিদিনে

খনে মনে মার পৃজাতে

উম] তব এল ঘরে মঙ্গলঘট আন ভরে। লয়ে কোলে

ডাকে তোমায় মাম বলে

ভাগ্যবতী যতনে রেখ তোমার এই নাহি জ্ঞানে দ্বিজরেণু হের মায়ে পালিয়ে যেতে পাবেনা সে

রাণী তুমি

ভোল। যেন

আগমনী ব. বি./শ্যামা-সজীত/৩২-২

হেন মেয়ে ধর উদরে। হৃদি কোশে উম ধনে বাধ তারে প্রহরী সে অনিমিষে ভক্তি বাধন ছিন্ন করে।

স্নেহ ডোরে।

৯৭

বিজয়া

শাক্ত পদাবলীতে আগমনী বিজয়। বিষয়ক গানগুলি যেন এক স্বরে, এক সূত্রে গাথা হইয়াছে। উমার শরতের তিন দিন হিমালয়-গৃহে আগমন উপলক্ষে উমা মেনক1 এবং গিরিরাজের যে মনোভাব ব্যক্ত হইয়াছে সেইগুলিই আগমনী নামে পরিচিত। এবার পুনরায় হরজায়ার হরের সহিত কৈলাসে ফিরিবার পাঁল1। মেনকার মন কল্াকে ছাড়িয়! দিতে চাহে না, কন্যাও পিতৃগৃহ হইতে চলিয়া যাইতে হইবে বলিয়] কাদিয়! কাটিয়া আকুল- আহার পরিত্যাগ করিয়। শয্যাগ্রহণ করিয়াছেন জননী ভাবিতেছেন 'নয়নের মণি, বালিক1 উমাকে ছাড়িয়1 কিভাবে প্রাণে বাচিবেন। কৈলাসে উমার কত ন। কষ্ট তাই মেনকা জয়া-বিজয়াকে বলিয়াছেন নিদ্রিত উমাকে ন৷ জাগাইতে হিমালয় গৃহ হইতে উমার বিদায় পর্বের গানগুলি লইয়! বিজয়ার গান রচিত। এইগুলি মাতৃ-হদয়ের মম্নবেদনার রসে অভিসিঞ্চিত

দশমীতে মায়ের বিসর্জন, উমার কৈলাসে প্রত্যাবর্তন নবমীতে শেষ- দিনের মত উমার অবস্থান বিদায় আসন্ন ভাবিয়। স্লেহমক্ষী জননীর হৃদয় বিচলিত হইয়। পড়িয়াছে। নবমীর নিশি যেন আর না পোহায়। তাহা হইলে কল্তাকে আর পাঠাইতে হয় না। এই হইতেছে মায়ের বেদনাতুর মনের অভিব্যক্তি কবির গাঁনে মাতৃহৃদয়ের সেই গভীর ইচ্ছা! অভিব্যক্তি লাভ করিয়াছে বিজয়ার পদে-_

“নধমীর নিশি তুমি যেও না।

তুমি গেলে মোর উম যাবে সে ব্যথা প্রাণে কেমনে স+বে আর তারে রাখা যাবে না।

আস্বে হর তারে নিতে-_কার্তিক গণেশ যাবে সাথে দশমীতে বিজয়] ভুলবে ন1।”

মানবধমমী হৃদয়াবেগের নিবিড়, গভীর পরিচয় বাৎসঙ্যরসের চিত্রের মধ্যে উদঘাটিত হইয়াছে মেনক1 বৃুঝিতেছেন উমা আর তাহার ন।ই। ছিভুজ! আজ চতুর্ভুজ1 হইয়াছেন, দশভুজ1 হইয়াছেন কন্যা আজ দেবীত্ে পর্যবসিত হইয়াছেন, কিন্ত তাহাকে ঘরের কন্তারূপে পাইতেই কবিকুল আকুল। বঙ্গজননীর অন্তরের স্তেহবিহ্বল বিরহাতুরতা তাই বিজয়ার গানে রসনিবিড় বাঙ্মূতি লাভ করিয়াছে

১৮ ম্যামা-সঙ্গীত-সংশ্রুহ

গিরি তৃমি পাষাণ বাপ দেখ লাই গো নয়ন মেলে কি ছথে মার দিন যেষায় থাকৃতে নারে আমায় ভুলে জগতে তোর আস্তে হবে জগং ছাড়! ম1] আমি কবে অসুর দলন করতে কেন রং করেছিস্‌ কালি গুলে।

গিরিপুরী আধার করি তুই কি যাবি মা গৌরী তিনটি দিন থাকৃবি কাছে আশায় থাকি বর্ষ ধরি। জগন্মাত। তুই যে তারা আমি কি মা জগৎ ছাড়। তবে কেন এমন ধারা ছেড়ে যাও মা শঙ্করী অন্নপূর্ণা কাশীধামে অন্ন্(টে তোমার লামে শিব কেন যেভিক্ষা করে পাইনে দিশা চিত্ত! করি কেন বেড়াও রাজ-বিয়ারী সাথে নিয়ে শিব-ভিখারী হৃদমন্দিরে যতন করি গৌরী হরে রাখবে! পৃরি

জামাই এলে তোরে নিতে প্লারুবেো না আর ছেড়ে দিতে অকলঙ্ক উমাশশী দেখবে উদয় দিনে রাতে ঘর বাধে সে দুঃখ সয়ে আমার সাধের ছোট্র মেয়ে কেমন করে রব জিয়ে পাঠিয়ে তোরে কৈলাসেতে শব সেজে আছেন ভূলে ঘর দেখে না চোখটি মেলে ক্ষ্যাপার হাতে দিয়ে তুলে পারি না আর দুখ সহিতে

৯৯১

আজ বিজয়া ওঠ মা জয়া দিস্‌ নে ছেড়ে মা অভয় কৈলাসেতে আর পাঠাস্‌নে শিবের বুকে নেইক মায়? কত চেস্টা যতন করি মেয়ে আনি শিবকে ধরি বিদায় দিতে প্রাণে মরি মেয়ের ম1! কি অসহায়া | জবার মাল! চরণে দিয়ে ভক্তি সচন্দনে পূজ। ভোগ অর বলিদানে রাখতে চাই ম] হরজায়া। শক্তি নেই মা রাখতে ধরে তাইত পলায় শিবের ঘরে মায়ের আদর হেল করে যায় সে চলে নেইক মায়া

ওঠ মা জয়। বিজয় আজ যে আমার উম] যাবে শূন্য করি গিরিপুরী উমা যাবে হরের বাড়ী

কেমনে রব মাকে ছাড়ি মা ডেকে আর কে শোনাবে নবমীর শুভনিশি মোর ঘরে থাক বসি

হেরি উমা মুখশশী * তুমিও যে আনন্দ পাবে

ওরে বঙ্গবাসী শোকে ভাসি বিদায় দাবি চোখের জলে

টি

তিন দিনেতে মেটে না আশ বিচ্ছেদ স্মরি হা? হুতাঁশ দৃঢ় কর্নারে ভক্তি-পাশ মা যে তোদের যাবে চলে পূজা ভোগ আর আরতিতে রইলি শুধু আপনি মেতে

শ্যামা-সঙ্গীত-সংগ্রহ

বসিয়ে কেন হৃদাসনে

দিলি না মন চরণতলে |

পুরোহিতের মুখে শুনি পুনরাগমনের বাণী

মার কাছে কি সেই ধ্বনি

দেবে অভয় ভক্ত দলে।

রবি তোমার হবে উদয় তাইত আমার প্রাণে ভয় অভয়ার পাই নে অভয় আমায় ছেড়ে যাবে চলে।

দশমীতে মার বিজয়! আয় দেখি মা ওগো জয়

রাখে না সে মায়ের মায়া যদি কথায় থাকে ভুলে

আসে পাগল! ভোল। নন্দী ভূঙ্গী সঙ্গে চেল

তাকে আমার মিছে বল! থাকৃতে নারে উমা ফেলে

“ওম বলে এবার এখন বুকে ধরে ফিরিয়ে দেব শিব নাকি

ভূত নাচায়ে শান্তি নাই তাই ভন্ম মেখে শ্বাশান মশান

বিশ্বভুবন

বিজয়!

কাদে উমা তাও কি মন তুই জানিস্‌না। মাকাদে যদি

বাঁখবে। নিধি

শিব আদি জামাই বলে মানবো না। ভিক্ষা ক'রে

ফেরে দোরে

তোমার তরে মায়ের কথা ভেবে দ্যাখ মা। লারা অঙ্গে

ক্ষ্যাপার সঙ্গে

বেড়াস্‌ রঙ্গে এবার কাছে থাক্‌ মা শ্যামা

বেদনা কত তুমি ছে

দিতে হয় সে

দশমশতে

রবে ছাড়ি

গিরি তৃমি কি দুখে মার

অসুর দলন

বিশ্ব ধাচে

কেমন করে

ননমীর নিশি জয়া তুই ম!

মায়ের প্রাণে পাষাণ স্বামী মেয়ে ধরে রাখতে নারি পরের ঘরে বধ পরে মাত্র তিনটি বিদায় ক'রে শোন ওহে